পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চর মোন্তাজ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর নয়াচর এলাকায় থাকা কমিউনিটি ক্লিনিকটি নিয়মিত না খোলায় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা—এমন অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ক্লিনিকটি সপ্তাহে মাত্র দুই থেকে তিন দিন খোলা হয়। তাও নির্ধারিত সময়ে চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী না পাওয়ায় অনেক রোগী চিকিৎসা না নিয়েই ফিরে যেতে বাধ্য হন। দূরবর্তী চরাঞ্চলের মানুষের জন্য স্থানীয় পর্যায়ে চিকিৎসার অন্যতম ভরসাস্থল এই কমিউনিটি ক্লিনিক হলেও নিয়মিত সেবা না পাওয়ায় তাদের ভোগান্তি বাড়ছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, কমিউনিটি ক্লিনিকে সরকারি সরবরাহের ওষুধ থাকার পরও অনেক সময় রোগীদের তা দেওয়া হয় না। চিকিৎসা নিতে গেলে বাইরে থেকে ওষুধ কিনে আনার পরামর্শ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন কয়েকজন এলাকাবাসী। বিশেষ করে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এতে চিকিৎসা ব্যয় আরও বেড়ে যাচ্ছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, ক্লিনিকের দায়িত্বে থাকা ডাক্তার মো. জুয়েল আকন উপস্থিত থাকলেও তারা প্রত্যাশিত চিকিৎসাসেবা ও সরকারি ওষুধ পাচ্ছেন না। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বা স্বাস্থ্য বিভাগের বক্তব্য জানা গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন।
স্থানীয়রা বলছেন, চরাঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবার কথা বিবেচনা করে কমিউনিটি ক্লিনিকটি নিয়মিত খোলা, নির্ধারিত সময়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং সরকারি ওষুধ যথাযথভাবে রোগীদের মধ্যে বিতরণ করা জরুরি।
তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এবং উত্তর নয়াচরের কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা ও সরকারি ওষুধ প্রাপ্তি নিশ্চিত করবে।

0 মন্তব্যসমূহ